“দেশে ফেরার পথে মোস্তাফিজকে এ কেমন দুঃসংবাদ দিলো মুম্বাই”

1963
দেশে ফেরার পথে মোস্তাফিজকে এ কেমন দুঃসংবাদ দিলো মুম্বাই

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সফল দলের নাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তিনটি শিরোপা ঘরে তোলা এই দলটি একাদশ আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়েছে। চলতি আইপিএলে এটি বড় ধরনের ধাক্কাই বটে সমর্থকদের জন্য।দলের প্রয়োজন অনুযায়ী বেশ কিছু ক্রিকেটারই চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট স্পোর্টসকিডার মতে, বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমানসহ আরও তিন ক্রিকেটার আগামী বছর বাদ পড়তে পারেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স থেকে।

চলতি আসরে মুম্বাইয়ের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। টানা হারে এক সময় ছিল পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে। সেখান থেকে কিছুটা উপরের দিকে উঠতে পারলেও পৌঁছাতে পারেনি প্লে অফে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে যতটুকু আশা বেঁচে ছিলো, দিল্লি ডেয়ার ডেভিলসের কাছে হেরে তাও শেষ হয়েছে।স্পোর্টসকিডার মতে, মোস্তাফিজের সঙ্গে আগামী আইপিএলে বাদ পড়তে পারেন জেপি ডুমিনি, মিচেল ম্যাক্লেনাগান ও কাইরন পোলার্ড। তাদের বাদ পড়ার কারণগুলোও বর্নণা করা হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান- দারুণ কিছুর আশা নিয়েই দলে টানা হয়েছিল মোস্তাফিজকে। শুরুতে সেই আশার পালে হাওয়া দিলেও ক্রমেই দিক হারাতে থাকেন বাঁহাতি এই পেসার। তার ডেথ ওভারের বোলিং ব্যাটসম্যানদের প্রথম প্রথম চমকে দিতে পারলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর থাকে না।ব্যাটসম্যান তার বোলিং বৈচিত্র্য আয়ত্ত করে ফেলায় রান বেড়ে যায়। ৭ ম্যাচে ৭ উইকেট পেলেও রান বেশি দেওয়ার ফলে নেতিবাচক হিসেব করা হচ্ছে মোস্তাফিকে নিয়ে। ফলে ২০১৯ সালের আইপিএলে মুম্বাই থেকে বাদ পড়তে পারেন এই কাটার মাস্টার।

আইপিএলের গত দুই মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে খেলেন মোস্তাফিজ। প্রথমবার সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেও, দ্বিতীয় আসরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি সেই মোস্তাফিজকে। মাত্র ১ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি। তবু তার কাটারে ভরসা করেই চলতি আসরের নিলামে ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তাকে দলে ভেড়ায় মুম্বাই।তার প্রতি আস্থা রেখে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্লে অফ টিকিট নিশ্চিত করার ম্যাচে একাদশে ডেকে নেয় রোহিত শর্মার দল। এবারেও আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ মোস্তাফিজ। ৪ ওভার বল করে ৩৬ রান খরচ করে পাননি কোন উইকেট। মুম্বাইও হেরে যায় ১১ রানের ব্যবধানে, বাদ পড়ে যায় প্রথম পর্ব থেকেই।

সবমিলিয়ে চলতি আসরের ৭ ম্যাচে ২৭.৩ ওভার বল করে রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি প্রায় সাড়ে ৮ গড়ে। পুরো আসরজুড়েই শর্টবলের আধিক্য ছিল তার ওভারগুলোতে। কাঁধের ইনজুরির কারণে বলের গতি ছিল মাঝামাঝি। এই কম গতি শর্ট লেন্থে করা কাটারগুলো অবলীলায় বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন ব্যাটসম্যানরা।

জেপি ডুমিনি- দক্ষিণ আফ্রিকার এই অলরাউন্ডারকে এক কোটি রুপিতে কেনা হলেও তেমন কিছুই করে দেখাতে পারেননি। মৌসুমে দলের হয়ে ছয় ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে করেছেন মাত্র ৩৬ রান। মুম্বাইয়ের দারুণ সব ব্যাটসম্যানকে টপ অর্ডারে জায়গা দিতে ডুমিনিকে নেমে যেতে হয়েছে মিডল বা লোয়ার অর্ডারে, যা তার ব্যাটিংয়ে বাজে প্রভাব ফেলেছে। তাই তাকে পরের মৌসুমে মুম্বাই রাখ